সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বসতঘরের তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরির মামলার প্রধান আসামি আরফিন আক্তার ছবিয়া (২০)কে গাজীপুরের কাশিমপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি শাহিদ আলী ও কথিত সহযোগী মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর গ্রামের মৎস্য চাষি ও ঘের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক তাঁর বাড়ির একাংশ ভাড়া দিয়েছিলেন।
প্রায় দেড় বছর ধরে আরফিন আক্তার ও শাহিদ আলী সেখানে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক ঘনিষ্ঠতার কারণে বাড়ির মালিক আরফিনকে মেয়ের মতো স্নেহ করতেন বলে জানা গেছে। গত ১৭ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুর রাজ্জাক। রাত আনুঃ ৯টার দিকে ফিরে তিনি ঘরের তালা ভাঙা ও স্টিলের আলমারি ক্ষতিগ্রস্ত দেখতে পান। এ সময় ভাড়াটিয়া আরফিন ও শাহিদকে পাওয়া যায়নি বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘর থেকে ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১২ আনা ওজনের এক জোড়া দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের আংটি, তিন ভরি রুপার নূপুর ও নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় বাদীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ৬ জুন ২০২৬ কালিগঞ্জ থানায় মামলা মামলা হয়। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আরফিনের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে কাশিমপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে সারদাগঞ্জ সাতবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসানের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আরফিনকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে। পলাতক শাহিদ আলী ও মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


