শ্যামনগর উপজেলার জনজীবন আজ এক প্রকার বিপর্যস্ত। একদিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টা মিলছে বিদ্যুতের দেখা, অন্যদিকে ঘনঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার এই লুকোচুরি খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে শিক্ষার্থী, রোগী ও শ্রমজীবী মানুষ।
তার সাথে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে যোগ হয়েছে অস্বাভাবিক বা ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল। যেখানে বিদ্যুৎই পাওয়া যায় না ঠিকমতো, সেখানে মাসের শেষে হাতে আসা বিল দেখে চোখ কপালে উঠছে গ্রাহকদের। প্রয়োজনে আলো জ্বালানো বা পাখা চালানোর উপায় না থাকলেও আগের তুলনায় দ্বিগুণ-তিনগুণ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে।
রমজান নগর ইউনিয়নের ভেটখালী বাজারে দোকানদার সোহাগ হোসেন বলেন তার লেদ ওয়াকসপের দোকানে স্বাভাবিক ১২০০শত টাকা থেকে ১৩০০ টাকার মতো প্রতি মাসে স্বাভাবিক বিল আসে সম্প্রতি গত মাসে ৮৭০০ টাকা একটি ভুতুড়ে বিল তাকে দেওয়া হয়, শ্যামনগর পৌর এলাকার বাসিন্দা নাজমা বেগম জানান দিনে রাতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে তিন থেকে চার ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে অথচ মাস শেষে অতীতের থেকে তিন থেকে চার গুণ বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে ভুক্তভোগীরা সবাই এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চেয়ে
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-র নিকট আকুল আবেদন, অবিলম্বে শ্যামনগরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করুন এবং অযৌক্তিক ও ভূতুড়ে বিলের সঠিক তদন্ত করে সাধারণ গ্রাহকদের এই চরম দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিন।

